পরিচালকের কৃতিত্ব
পরিচালক গৌতম তিন্নানুরি প্রকৃত সিনেমার প্লটের সঙ্গে কোনও বোঝাপড়া করেননি এবং সিনেমা যত এগোবে ততই আপনি বুঝতে পারবেন এর চরিত্রগুলি সবই উত্তর ভারতের সঙ্গে সংযুক্ত। জার্সি চিরাচরিতভাবে ক্রীড়ামূলক সিনেমা নয়, যেখানে চার বা ছয় মারলেই হাততালির গুঞ্জন বা অত্যাধিক প্রশংসা পাওয়া যাবে। এই সিনেমার গল্প অত্যন্ত গুরুতর এবং এই সিনেমার গভীরে পৌঁছাতে হলে আপনাকে অবশ্যই সিনেমাটি দেখতে হবে। অর্জুনের রাগ, তাঁর অপরাধবোধ, তাঁর জীবনের প্রতি ব্যর্থতা এবং যতই চরিত্রটি এগিয়েছে শাহিদ ততই অর্জুনের চরিত্রে প্রবেশ করেছে। শাহিদ অর্জুনের যন্ত্রণাকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। তবে এতে অবশ্যই পরিচালকের কৃতিত্বই দিতে হয়।
অভিনয়
অর্জুনের সংঘর্ষ-বেদনা, জীবনের সঙ্গে লড়াই ফুটিয়ে তুলতে একেবারে অনবদ্য শাহিদ কাপুর। হায়দার ও কামিনের পর এই সিনেমায় তাঁর অভিনয় প্রশংসার দাবি রাখে। অর্জুনের স্ত্রী বিদ্যার ভূমিকায় ম্রুনালের অভিনয় সত্যিই সুন্দর, কখনও ঠাণ্ডা আবার কখনও গরম মেজাজের বিদ্যা, যিনি তাঁর স্বামীর সঙ্গে সুন্দর সম্পর্ক রাখতে ব্যর্থ হন ভাগ্যের পরিহাসে। বিদ্যা ও অর্জুনের ভালোবাসা কীভাবে অভাব-সংঘর্ষ ও ঝগড়ায় পরিণত হয় সেটাই দেখা যাবে। শাহিদ ও বিদ্যার ছেলের চরিত্রে রণিত কামরাও সুন্দর অভিনয় করেছেন। কোচ হিসাবে পঙ্কজ কাপুরের অভিনয়ও যথাযথ ছিল।



0 মন্তব্যসমূহ